গাড়ীচালকদের জন্য ট্রাফিক নিয়মকানুন ও শব্দদূষণ বিষয়ে সচেতনতা বৃদ্ধির জন্য প্রশিক্ষণ

১৯ অক্টোবর, ২০২৪ ১৯:১৪  

গুলশান এলাকার যানযট মোকাবেলায় গুলশান সোসাইটি সদা সচেষ্ট। ড্রাইভারদের ট্রাফিক আইন সঠিক ও পরিপূর্ণভাবে না জানা যানযটের প্রধান কারণ। এছাড়াও অহেতুক হর্ণ বাজানোর ফলে পরিবেশ দূষিত হয় যা স্বাস্থ্যের জন্যও ক্ষতিকারক। পরিবেশ অধিদপ্তর ও ব্র্যাক-এর সহযোগিতায় গুলশান সোসাইটির সদস্যবৃন্দের ড্রাইভারগণকে এসব বিষয়ে পুনঃপ্রশিক্ষিত করা ও সচেতনতা বৃদ্ধিকল্পে একটি প্রকল্প হাতে নেয়া হয়েছে।

প্রথম পর্বে শুক্রবার ১৮ অক্টোবর সকাল ৯টায় গুলশান লেক পার্কে ট্রাফিক নিয়মকানুন ও শব্দদূষণ বিষয়ে সচেতনতা বৃদ্ধিতে ড্রাইভারদেরকে প্রশিক্ষণ দেয়া হয়। প্রশিক্ষণে ১০৪ জন ড্রাইভার অংশগ্রহণ করেন।

অনুষ্ঠানের শুরুতে গুলশান সোসাইটির সভাপতি ব্যারিস্টার ওমর সাদাত এবং সহ-সভাপতি সৈয়দ আলমাস কবীর স্বাগত বক্তব্য রাখেন। ঢাকা মেট্রোপলিটান পুলিশের অ্যাসিস্ট্যান্ট কমিশনার (ট্রাফিক) সায়েম যানযট এড়ানোর জন্য গাড়ীচালকগণের উদ্দেশ্যে কিছু পরামর্শ প্রদান করেন। পরিবেশ অধিদপ্তরের প্রকল্প পরিচালক ফজলে এলাহী তার বক্তব্যে শব্দদূষণরোধে গাড়ীচালকদের ভূমিকাই প্রধাণ বলে উল্লেখ করেন।

প্রশিক্ষক গাজী মোহিবুর রহমান চমৎকার করে শব্দ কী এবং মাত্রাতিরক্ত হর্ণের শব্দ মানব দেহের জন্য কতটা বিপজ্জনক এবং কোথায় ও কিভাবে এই হর্ণের ব্যবহার কমিয়ে আনা যায় তা’ তুলে ধরেন। শব্দদূষণের ব্যাপারে সরকার খুব শীঘ্রই আইনের প্রয়োগ ও শাস্তির ব্যাপারে কঠিন পদক্ষেপ নিতে যাচ্ছে বলে সবাইকে সতর্ক করেন।

ব্র্যাক রোড সেফটি প্রোগ্রামের মতিউর রহমান ও ব্র্যাক ড্রাইভিং স্কুলের প্রশিক্ষক জেম্‌স জোয়াব সরেন ট্রাফিক আইন-কানুন, সড়ক ও মহাসড়কের চিহ্ন ও দাগসমূহ, রাইট অফ ওয়ে, ট্রাফিক কন্ট্রোল ডিভাইস, আচরণগত মনোভাব ও শিষ্টাচার, এআই-ভিত্তিক ট্রাফিক ক্যামেরা সম্পর্কে সচেতনতা, নিরাপত্তামূলক ড্রাইভিং অনুশীলন ইত্যাদি বিষয়ে বিষদ প্রশিক্ষণ দান করেন।

উপস্থিত গাড়ীচালকরা সোসাইটির এই উদ্যোগ শুধু তাদের এই বিষয়ে সচেতনতা বৃদ্ধিই করেনি, এ ধরণের প্রশিক্ষণ এলাকার সমস্ত গাড়ীচালকের জন্য বার বার ব্যবস্থা করার জন্য অনুরোধ করেন। দুপুরের খাবার পরিবেশন ছাড়াও সকল অংশগ্রহণকারী ড্রাইভারকে ৩০০ টাকা ভাতা ও সার্টিফিকেট প্রদান করা হয়।